কম দামে খুদে স্যাটেলরাইটগুলো দিতে পারছে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

আকারে যেমন বড়, তেমননি ওজনে কয়েক টন ভারী কোপার্নিকাস প্রকল্পের স্যাটেলাইটগুলো। অনবদ্য হলেও তৈরি করতে সময় লাগে বেশ কয়েক বছর। একটি স্যাটেলাইটের দাম পরে কয়েক কোটি ইউরো।

সে কারণেই ইতোমধ্যেই ওয়াইনের বোতলের মতো ছোট আকারের স্যাটেলাইটের আবির্ভাব ঘটেছে। কম দামে খুদে এই স্যাটেলরাইটগুলো দিতে পারছে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা। শুরু হয়েছে ন্যানো স্যাটেলাইটের যুগ।

পূর্বাভাস বলছে, ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ন্যানোস্যাটেলাইট এবং মাইক্রোস্যাটেলাইট শিল্পের সিএজিআর প্রবৃদ্ধি হবে ২৪.৮৬ শতাংশ।

বেশি পরিমাণ ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব করতে সক্ষম এমন চারটি স্যাটেলাইট কাজে লাগাচ্ছে বার্লিনের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল। দুই বছর আগে সেগুলো কক্ষপথে পাঠানো হয়। পৃথিবীর ওপর নজর রাখার কাজে ও বিশ্বজুড়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বেশ ফল দিচ্ছে সেগুলো।

সে কারণে গোটা ইউরোপে ছাত্রছাত্রীরা এমন ছোট ডিভাইস তৈরির কাজ শিখছেন। কেননা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রায় ১০ শতাংশ অর্থনৈতিক কাজই এখন স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশনের ওপর নির্ভরশীল। মহাকাশপ্রযুক্তিকেই তারা নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

বিশাল আকারের শক্তিশালী কৃত্রিম উপগ্রহের পাশাপাশি ক্ষুদ্র অথচ দক্ষ স্যাটেলাইট একাধিক ক্ষেত্রে বিপ্লব আনতে পারে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। সে কথা বিবেচনায় রেখে নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ। জাহাজে জ্বালানির সাশ্রয় বাড়ানোর সফটওয়্যার তৈরির মতো কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির বদৌলতে বাড়ছে কর্মসংস্থানও।

এরই মধ্যে মেক্সিকোর ছাত্রদের তৈরি জুতার বাক্সের চেয়ে ছোট আকৃতির স্যাটেলাইট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

প্রযুক্তির পথ ও জয়গানের সব খবর তুলে এনে জীবন সহজ করছে ITSohor। দেশ ও বিদেশের প্রযুক্তির সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে জানতে ভিজিট করুনঃ আইটি শহরে

আপনার মতামত, লাইক ও কমেন্টের সঙ্গে থাকুন আমাদের আইটি শহরের ফেসবুক ফ্যান পেজে

107 Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com